মানবাধিকার মানুষের জন্য, রোহীঙ্গারা কী মানুষের বাইরে ?

15
                                                                                                                                      এম.এ গাফফার ,  মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব। শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে তাদের কাজ কর্ম শ্রেষ্ঠ হওয়া উচিত। কিন্তু আমরা কি সেই শ্রেষ্ঠ কাজ করছি, না নিকৃষ্ট কাজ করছি। এ প্রশ্নের সঠিক  উত্তর দাতা পাঠকেরা।
 আমি বর্তমান পেক্ষাপঠে বাস্তব উদাহরণ  দাড় করার চেষ্টা করর্র্ছি মাত্র।
বর্তমানে মায়ানমারের দিকে দিষ্টি দিতে চাই।
মায়ানমারের লক্ষ্য লক্ষ্য নারী পুরুষ এবং শিশু আরাকান রাজ্যের,মানবিক শেষ্ঠ শাসক এবং শান্তিতে নবেল বিজয়ী অং সাং সুচি রাখায়ইং রাজ্যে যে সমস্ত হামলা, অমানুসিক নির্যাতন, বাড়ী ঘর জালিয়ে দেওয়া, পুরুষদের ধরে নিয়ে গুম,খুন, শিশু হত্যা যুবতী মেয়েদের ধরে ধর্ষন ও জঘন্যতম অবিচার, অনাচারে লিপ্ত রয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার নিরিহ লোকদের তাদের জান দিতে হচ্ছে,তাদের একটি মাত্র অপরাধ যে তারা রোহিঙ্গা মুসলিম।
 বর্তমানে এই আধুনিক যুগে এ ধরনের ঘটনাকে বিশ্বকে ভাবিয়ে তুলেছে। মায়ানমারের পাশ্ববর্তীদেশ হিসেবে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক ধনি এবং সমৃদ্ধশীল দেশ পাশে দাড়িয়েছে তার কিছুটা বহির পকাশ ঘটেছে জাতিসংঙ্ঘে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে। এদিকে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশের মত একটি দেশে ঢুকে পড়ছে।
এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
 এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য আমাদের প্রধান মন্ত্রি সহ বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গাদের পাশে দাড়িয়েছে। আমি মনে করি এ যুদ্ধে বাঙালি জাতিই জয়ী হবেন। কারণ বাঙালি জাতির ইতিহাস সংযজনের ইতিহাস ।
পৃথিবীতে একমাত্র বাঙালি জাতিই মাত্র নয় মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাত থেকে দেশকে মুক্ত করে ছিল। ঠিক তেমনি বাঙালি জাতি কুটনৈতিক ততপরতা চালিয়ে বিশ্বের এক বড় সমস্যাকে সঠিক পথ দেখাতে সক্ষম হবে।