নড়াইলে ভালো ছবি এডিট করে খারাপ বানিয়ে ভাইরাল করে দিব ছদ্মনাম অপরাধীদের আটক

0

নড়াইল অফিস: নড়াইলের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী জেএসসি পরীক্ষার্থী। সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে। হঠাৎ তার বান্ধবীর আইডি হ্যাক করে “শিমুল”(ছদ্মনাম) নামের এক যুবক রুমা (ছদ্মনাম)। তাছাড়াও বিভিন্ন কৌশলে শিমুলের ছবি দেখিয়ে তার বান্ধবীর পক্ষ থেকে প্রেমের প্রস্তাব পাঠানো হয় রুমার আইডি তে। এই ধরনের প্রস্তাব রুমা কঠোর ভাবে নাকজ করে ও বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে রুমা তার বান্ধবীর সাথে সরাসরি কথা বলে নিশ্চিত হয় যে তার বান্ধবীর আইডি হ্যাক হয়েছে। রুমা প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিমুল বলে “আমার সাথে প্রেম না করলে তোকে জেএসসি এক্সাম দিতে দিব না এবং তোর ভালো ছবি এডিট করে খারাপ বানিয়ে অনলাইনে ছেড়ে তোকে ভাইরাল করে দিব। রুমা এই ব্যাপারটি তার পরিবারের সাথে ভয়ে শেয়ার করতে পারে না। তবে সে সাইবার টিনস অ্যাপ সম্পর্কে অবগত। যার ফলে সে সাথে সাথে সাইবার টিনস অ্যাপে একটি অভিযোগ করে। আমরা অভিযোগ রিভিউ করে নড়াইল জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় ফরওয়ার্ড করি। জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং সাইবার টিনস এর বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে ২জন অপরাধীকে আটক করা হয় গতকাল, তাদের বাড়ী নড়াইলে বর্তমানে খুলনার একটি কলেজে পড়াশুনা করে) একপর্যায়ে অভিযুক্ত আর ভুক্তভুগি উভয় পরিবারের সিধান্ত অনুযায়ী আপোষ মীমাংসার পরিপেক্ষিতে অভিযুক্ত পরিবারের মুচলেকা পত্র জমা নেওয়া হয়। এতবড় সাহসিকতার পরিচয় দেওয়াতে নড়াইল জেলা পুলিশ এবং সাইবার টিনস এর পক্ষ থেকে রুমাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। রুমা সত্যই একজন সচেতন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। এর আগে নড়াইলের লোহাগড়ায় মোঃ আজিজুর বিশ্বাস নামের এক সাংবাদিক তথ্যপ্রযুক্তি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন।ঘটনাটির সঠিক তথ্য জানতে লোহাগড়া থানায় গিয়ে জানা যায়,আজিজুর বিশ্বাস স্থানীয় মেয়ে মিতুর ফেসবুক আইডি নিজে ব্যবহার করে কিছু অশ্লীল ছবি পোষ্ট করেন এবং বাজে মন্তব্য করেন।বিষয়টা মিতু জানতে পেরে লোহাগড়া থানায় অভিযোগ করে। এরপর থানা পুলিশ আজিজুরকে গ্রেফতার করে। এসময় লোহাগড়া থানাতে মিতুও উপস্থিত ছিলেন। তার কাছে বিষয়টা জানতে চাইলে সে বলে আমাদের এর আগেও আরো ঝামেলা আছে এবং একটা মামলাও আছে। এব্যাপারে আরো লোকজনের কাছ থেকে জানাযায়, এই মিতু ও আজিজুরের এক সময় পরকীয়া সম্পর্ক ছিল।এবং নিজেদের মধ্যে একটা ঝামেলার কারণে মিতু তার নামে মামলাও করে। সেই মামলায় আজিজুর জেলও খেটেছে।এরপর কিছুদিন পরকীয়া হতে তারা বিরত ছিল।তারপর আজিজুরে নামে রেজিস্ট্রেশন করা একটা মোবাইলের সিম মিতুর কাছ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আজিজুর মিতুর ফেসবুক আইডি পাসওয়ার্ড ম্যানেজ করে ওপেন করে চালাতে থাকে এবং একপর্যায়ে সে মিতুর কিছু গোপন ছবি পোষ্ট করে।বিষয়টা মিতুর নজরে পড়লে সে থানায় গিয়ে অভিযোগ করে এবং লোহাগড়া থানা পুলিশ আজিজুরকে গ্রেফতার করে।