রাজগঞ্জের শাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপুর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান, ভীম ধসে এক শিার্থী আহত, আতংকে শিক্ষাথীরা

3

রাজগঞ্জ অফিস : যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের ৬৯নং শাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভাংগাচোরা ও ঝুঁকিপুর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। এদিকে গত ২৮ অক্টোবর ভীমের অংশ বিশেষ ধসে পড়ে এক ছাত্র আহত হওয়ার ঘটনায় চরম আতংকে রয়েছে ওই বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত সকল শিার্থীরা। চিন্তিত অভিভাবক মহল। নতুন ভবন নির্মাণের দাবী শিার্থীসহ এলাকাবাসির।
ভাংগাচোরা ও ঝুঁকিপুর্ণ ভবনের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক শংকর শর্মা জানান, এই বিদ্যালয়ে ১৪৫ জন ছোট ছোট কোমলমতি শিশুরা ভয়ে ভয়ে কাস করছে। শিার্থীরা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এখানে পড়াশোনার জন্য অবস্থান করে। এমতাবস্থায় ভবন ধসে যদি কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে-এর দায়ভার নেবেকে। তিনি আরো জানান, লেখাপড়ার মান উন্নয়নের জন্য সকাল ৯টা থেকে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির শিার্থীদের কাস নেওয়া হয়। ক সংকটের কারণে আমরা মাঠে কাস নিচ্ছি।
স্থানীয় কয়েকজন এলাকাবাসি জানান, ১৯৬৫ সালে শাহাপুর গ্রামকে শিার আলোয় আলোকিত করতে প্রতিষ্ঠিত করা হয় এই প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। সেই থেকে অদ্যবধি ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিার আলো ছড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ের ৩ ক বিশিষ্ট পাকা ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে পড়েছে।
শাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক মমতা রাণী পাল জানায়, গত ২৮ অক্টোবর ২য় শ্রেণির শিার্থী সামির হোসেনের হাতে ভীমের অংশ বিশেষ ধসে পড়ে আহত হয়। আমরা ভয়ে ভয়ে কাসরুমে বসে কাস করি। এজন্য আমাদের পড়াশোনায় মন বসানো কঠিন হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. ইকবাল হাসান জানান, বিদ্যালয়ের ভবনটি ঝুঁকিপুর্ণ হওয়ায় ৫ জন শিকসহ কোমলমতি শিার্থীরা সবাই চরম আতংকের মধ্যে আছে। তাই অচিরেই একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা অত্যাবশ্যক।
বিষয়টির দিকে নজর দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ কর্তৃপরে দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন এলাকার অভিভাবক মহল।