বিজয়ের মাসে স্বধীনতা বিরোধীদের ন্যাক্যারজনক কর্মকান্ড ! প্রতিবাদের ঝড়

148
ষ্টাফ রিপোটার : যশোরবাসীর প্রিয় নেতা, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক, বার বার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা জনাব শাহীন চাকলাদার মহান বিজয়ের মাসে বিজয় দিবস এর শুভেচ্ছা বার্তা সম্বলিত ফেষ্টুন দিয়েছেন যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে। তার এই বিজয় দিবসের শুভেচ্চা বার্তা যশোরবাসী সহ দেশের সর্ব স্তরের জনগণের জন্য। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীরা জ্বলে উঠেছে তার এই বার্তাতেই। এই বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বার্তাই যেন আঘাত করেছে তঁদের অনৈতিক আদর্শের জায়গাতে। আজ সকালে যশোর শহরের আরবপুর রোডে যেয়ে দেখা যায়, গভীর রাতে স্বাধীনতা বিরোধীরা ছিড়ে ফেলেছে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা সম্বলিত সবগুলি ফেস্টুন।
ফেষ্টুনগুলিতে ছিল, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ছবি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ছবি ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক, বার বার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা জনাব শাহীন চাকলাদার এর ছবি। কেন ছিড়ে ফেলা হলো এই ফেষ্টুনগুলি ? কি ছিল তাদের উদ্দেশ্য ? উদ্দেশ একটাই, তারা স্বাধীনতা ও উন্নয়ন মানতে পারছে না ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নেতা বলেন এই ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তারা চিহ্নিত সন্ত্রসী জামায়ত বিএনপির সাথে জড়িত এবং বর্তমানে সদর আসনের এমপি কাজী নাবিল আহমেদ ছত্রছায়ায় শহরজুড়ে এইধরনের স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকাণ্ডসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা এখনো চাই, বাংলাদেশ যেন কখনো বিশ্বে মাথা উচু করে না দাঁড়াতে পারে। তা না হলে স্বাধীনতার মাসে স্বাধীনতার শুভেচ্ছা ফেষ্টুন ধ্বংশ করার কী উদ্দেশ্য? প্রশ্নটি সকল মহলের। আবারও তারা দেখিয়ে দিয়েছে তারা স্বাধীনতার পক্ষে কখনো ছিল না বা আজও নেই। এই স্বাধীনতা বিরোধীরা চাই, পূর্বের ন্যায় আবারও বাংলাদেশ বিশ্বে দুর্নিতিতে চ্যাম্পিয়ন হোক। দেশে গড়ে উঠুক সন্ত্রাসের রাজত্ব। বর্তমানের দেশের সার্বিক উন্নয়নের যে ধারা অব্যহত রয়েছে, তা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছে না এই স্বাধীনতা বিরোধীরা। ন্যাক্যারজনক এই ঘটনায় তিব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সকল স্তরের শত শত মানুষ । এই হীন কর্মকান্ডে আরো তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে, যশোর জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমীক লীগ, কৃষক লীগ, মহিলালীগ সহ সকল অঙ্গসগঠনের নেতৃবৃন্দ ।