র‌্যাবের ব্যরিকেড ভেঙ্গে পালানোর চেষ্টা আটক-২

0

নড়াইল অফিস : মহাসড়কের কালুখালি উপজেলার সোনাপুর মোড় থেকে নয়শত তিপান্ন (৯৫৩) বোতল ফেন্সিডিল, ৬ কেজি গাঁজাসহ আন্তঃ জেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ ফরিদপুর ক্যাম্প। এ সময় আসামিদ্বয়ের হেফাজত থেকে মাদক ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০৫ টি সিম কার্ডসহ ৪ টি মোবাইল ফোন এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। আটক আসামিরা হলো ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার হাড়োকান্দি গ্রামের মোঃ তাছের মৃধা ছেলে মোঃ সুমন মৃধা ওরফে ইয়াকুব (২৬) ও একই গ্রামের মৃতঃ ফারুক শেখের ছেলে মোঃ আশিকুর রহমান রাহাত (২২)। র‌্যাব-৮, সিপিসি-২, ফরিদপুর ক্যাম্প সূত্র জানায়, তারা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম সীমান্তবর্তী যশোর-বেনাপোল, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত হতে আগত অবৈধ মাদক দ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে পাংশা রাজবাড়ী রুট ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের নিকটে পাইকারী বিক্রয় করে থাকে। এ বিষয়ে ফরিদপুর র‌্যাব ক্যাম্প গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গভীর অনুসন্ধান করে ঘটনার সত্যতা পায়। এই তথ্যের ভিত্তিতে আজ সোমবার সকালে র‌্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, এক মাদক ব্যবসায়ী চক্র রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়কের কালুখালী হয়ে একটি ফেন্সিডিলের চালান বিক্রয়ের জন্য নিয়ে যাবে। ফরিদপুর র‌্যাব ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল আজ সকাল ছয় টায় রাজবাড়ী জেলার কালুখালী থানাধীন সোনাপুর মোড় এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহ জনক গাড়ি তল্লাশী করতে থাকে। তল্লাশী চলাকালে সকাল সাড়ে সাত টার সময় সিলভার রংয়ের একটা প্রাইভেট কার র‌্যাবের চেকপোস্টের নিকটে আসলে র‌্যাব সদস্যগণ উক্ত প্রাইভেটকারের চালককে গাড়ি থামানোর সংকেত দিলে চালক গাড়ি না থামিয়ে র‌্যাবের ব্যরিকেড ভেঙ্গে পালানোর চেষ্টা করে। তখন র‌্যাবের সদস্যরা প্রাইভেট কারটিকে ধাওয়া করে রাজবাড়ী জেলার কালুখালী থানাধীন সোনাপুর মোড় সংলগ্ন শিয়ালমারী গ্রামের মোঃ সয়া আহম্মেদ এর বাড়ির সামনে সড়কের উপর থেকে প্রাইভেটকারটিকে আটক করে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশী করে নয়শত তিপান্ন বোতল অবৈধ মাদক দ্রব্য ফেন্সিডিল ও ছয় কেজি গাঁজা উদ্ধার করে এবং এ সময় পরবর্তীতে আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের স্বীকারোক্তি থেকে জানা যায় যে, ধৃত আসামিরা উক্ত বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল ও গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে তারা প্রাইভেটকারে পরিবহন করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিল।