সমাজ সেবা পরিষদের মোটা অংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

19

সোনালী দিন : যশোর শহরের লোন অফিস পাড়াস্থ শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ের মধ্যে শহর সমাজ সেবা পরিষদ। উক্ত পরিষদের সদস্য সচিব শহর সমাজ সেবা পরিষদের উপার্জিত লক্ষলক্ষ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে। তাছাড়া, শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের মধ্যে কয়েক লাখ টাকা মূল্যবান মেহেগুনী গাছের কোন হসিদ নেই।অভিযোগে জানাগেছে,যশোর জেলা সমাজ সেবা আওতাধীন শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ে বর্তমানে বছর কয়েক পূর্বে থকে আবিদ হাসান দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি দায়িত্ব পালনের শুরুতে উক্ত অফিসের আওতাধীন শহর সমাজ সেবা পরিষদের উপার্জিত অর্থ আত্মসাতের জন্য তিনি মরিয়া হয়ে উঠেন। শহর সমাজ সেব পরিষদের সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালনের সুযোগে তিনি প্রথম ধাপে শহর সমাজ সেবা পরিষদের অর্থে কম্পিউটার ও দর্জি প্রশিক্ষনের ভবন নির্মাণে হাত দেন। গত অর্থ বছরে তিনি শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ের চত্বরে শহর সমাজ সেবা পরিষদের অর্থে ভবন নির্মাণের নামে কয়েক লাখ টাকা পকেটস্থ করেছেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছেন। তার কারন ভবন নির্মানের ক্রয় কমিটিতে যাদেরকে রাখা হয়েছিল। তাদেরকে তিনি কাজগ কলমে স্বাক্ষর করিয়ে তার উদ্দেশ্য হাসিল করেছেন।সূত্রগুলো বলেছেন,কম্পিউটার প্রশিক্ষনের নামে যে ভবন নির্মানে যে ব্যয় তিনি উল্লেখ করেছেন প্রকৃত পক্ষে তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে তার টাকা আত্মসাতের কাহিনী।সূত্রগুলো আরো জানিয়েছেন, ভবন নির্মাণের পূর্বে উক্ত স্থানে কয়েক লাখ টাকা মূল্যের মেহেগুনী গাছ তিনি অনুমতি ছাড়াই কর্তন করেছেন। বন বিভাগ কিংবা জেলা প্রশাসনের কোন অনুমাতি ছাড়াই তিনি মূল্যবান গাছ কর্তন করে। সেই গাছ তিনি কৌশলে আত্মসাত করেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছেন। বর্তমানে উক্ত গাছের কোন হদিস নেই।সূত্রটি জানিয়েছেন, শহর সমাজ সেবা পরিষদ মূলত এডহক কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। উক্ত কমিটির মশিউল আজম,এ্যাডভোকেট সালেহা বেগম,তৎকালীন বাঘার পাড়া সমাজ সেবা বর্তমানে যশোর সদর উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা এটিএম মাসুদ,শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা আবিদ হাসান ও অবসরে যাওয়া সর্দার তরিকুল ইসলাম সদস্য ছিলেন। উল্লেখিত ব্যক্তিরা এডহক কমিটিতে থাকলেও মূলত শহর সমাজ সেবা পরিষদের অর্থ আত্মসাতের দায়িত্ব পালন করতেন আবিদ হাসান। তার কারণ তিনি ক্রয় কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। সূত্রগুলো দাবি করেছেন,ক্রয় কমিটিতে যাদেরকে তিনি রেখেছিলেন, তাদের মতামত ছাড়াই আবিদ হাসান নিজেই নিন্মমানের মালামাল ক্রয় করে ভাউচারে মোটা অংকের অর্থ ব্যয় দেখিয়েছেন। এই খাত থেকে তিনি কমপক্ষে ৩লাখ টাকার অধিক পকেটস্থ করেছেন।সূত্রগুলো আরো জানিয়েছেন, শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ে কর্মরত একজন কর্মচারী তার পোষা। তার মাধ্যমে তিনি মেহেগুনী গাছ হজমের দায়িত্ব পালন করেছেন।সূত্রগুলো আরো জানিয়েছেন,শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা আবিদ হাসান শহর সমাজ সেবা পরিষদের অর্থ অপচয় করার জন্য ৬টি সিসি ক্যামেরা ক্রয় করেছেন। অথচ সিসি ক্যামেরা লাগানোর ব্যাপারে জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের কোন অনুমতি কিংবা এডহক কমিটির কোন অনুমতি নেই। সিসি ক্যামেরা লাগানো খাত থেকে তিনি মোটা অংকের অর্থ কামিয়েছে। তাছাড়া,জেলা সমাজ সেবা কিংবা সমাজ সেবার অধীনে কোন অফিসে সিসি ক্যামেরা না থাকলেও তিনি অহেতুকভাবে অর্থ ব্যয় দেখিয়েছেন।এ ব্যাপারে তদন্ত পূর্বক খতিয়ে দেখতে জেলা সমাজ সেবাসহ উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে। অভিযোগের ব্যাপারে সাংবাদিকরা আবিদ হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন।